সর্বশেষ সংবাদ
September 25, 2018 - শিশু শ্রম নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে যুক্তরাজ্য
September 25, 2018 - স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ করতে হলে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: মওদুদ আহমদ
September 25, 2018 - ইন্টারনেট লিটারেসি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
September 25, 2018 - জাতিসংঘ তদন্ত দলের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন মিয়ানমারের সেনা প্রধান
September 25, 2018 - আফ্রিকায় ম্যালেরিয়া মোকাবেলায় নতুন আবিষ্কার
September 25, 2018 - আন্তর্জাতিক সকল বিরোধ নিষ্পত্তি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্ব নেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
September 24, 2018 - সৎ-যোগ্যদের মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
September 24, 2018 - ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে জনসভার ঘোষণা বিএনপির
September 24, 2018 - ক্যান্সার কেন হয়
September 24, 2018 - পানীয় জল আসলে কতটা নিরাপদ
অশুভ শক্তি যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে : প্রধানমন্ত্রী

অশুভ শক্তি যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ঐতিহ্য, ভাষা এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টিকারী কোন অশুভ শক্তি যাতে আর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারে, এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাঙালি, বাংলাদেশ আমাদের দেশ এবং বাংলা আমার ভাষা, বঙ্গবন্ধুর এই বক্তব্য আমাদেরকে সর্বদা স্মরণ রাখতে হবে। ফলে কোন অশুভ শক্তি যাতে আর ক্ষমতায় আসতে না পারে, এ জন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা বলেন।
দেশে-বিদেশের সকল বাঙালিকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে নববর্ষ উদযাপন একটি সার্বজনীন উৎসব। তিনি বলেন, এই উৎসবটা ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলে একাত্ম হয়ে একত্রে উদযাপন করে। এমনকি প্রবাসে বসবাসকারী বাঙালিরাও উদযাপন করে। আমাদের সরকারি, বেসরকারি পর্যায়ে, সাধারণ জনগণ-সকলেই উৎসবটা উদযাপন করে। এমনকি আমাদের একদম গ্রাম পর্যায় পর্যন্তও এই উৎসব উদযাপন হয়। কারণ এখানে সকলে খুব মন খুলে একাত্ম হয়ে উদযান করতে পারে। সেই সুযোগটা সৃষ্টি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ উৎসব উদযাপনে যত বাধাই আসুক, বাঙালি কখনো কোনো বাধা মানে না। এ জাতি বাধা ভাঙতে জানে।
শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে। সব দেশেই নববর্ষের অনুষ্ঠান হয়। কিন্তু ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র এই উপমহাদেশে শুধু বাংলাদেশ। কাজেই এখানে নববর্ষের উৎসব এক ভিন্ন মাত্রা লাভ করে।
তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি, বাংলায় হাসি, বাংলায় কাঁদি, বাংলায় জীবন চর্চা করি।
শেখ হাসিনা বলেন, সবাই মন খুলে একাত্ম হয়ে যাতে এ উৎসব পালন করতে পারে, সেজন্য তাঁর সরকার বৈশাখী ভাতার ব্যবস্থা করেছে। সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরে এখন এ ভাতা চালু হয়েছে।
তিনি এদেশে অতীতে বর্ষবষণ উৎসবে নানারকম প্রতিবন্ধকতা থাকার প্রসংগ উল্লেখ করে বলেন, পাকিস্তান আমালে বাংলাদেশী সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ষড়যন্ত্র ছিল। ’৭৫ এর ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছিল, তাদের অনেককেও বাঙালির বর্ষবরণে বাধা প্রদান করতে দেখা যায়।
তিনি বলেন, ‘১৯৯২ সালে আমরা ১৪০০ বঙ্গাব্দকে বরণ করতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে তৎকালীন খালেদা জিয়া সরকার বাধা দেয়। আমরা কবি সুফিয়া কামালকে নিয়ে সেসব বাধা উপেক্ষা করে রমনা পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন শতাব্দিকে বরণ করি।’
দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। সাম্যবাদী দলের নেতা দিলীপ বড়ুয়া তাঁর দল এবং ১৪ দলীয় জোটের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের মেয়র, যুব লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসেসিয়েশনের পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে বাঙালি ঐতিহ্যপূর্ণ খাবার মিঠাই, মোয়া, মুড়ি-মুড়কি, মুড়লি, কদমা, জিলেপি প্রভৃতির দ্বারা অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

Please follow and like us:

About author

Related Articles

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enjoy this blog? Please spread the word :)