সর্বশেষ সংবাদ
January 20, 2018 - রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আরো সহায়তা প্রয়োজন : বিশ্বব্যাংক
January 20, 2018 - রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে কাজ চলছে -বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান
January 20, 2018 - যথাসময়ে সহায়ক সরকারের রূপরেখা দেবে বিএনপি : মির্জা আলমগীর
January 20, 2018 - রফতানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে উৎপাদনের গুণগতমান নিশ্চিত করুন : রাষ্ট্রপতি
January 20, 2018 - হকার পুনর্বাসনে ডিএসসিসি’র নতুন প্রকল্প
January 20, 2018 - যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প-সেনেট দ্বন্দ্বে কেন্দ্রীয় সরকারি সেবা বন্ধ
January 19, 2018 - নির্দয় শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দি জনগণ
January 19, 2018 - সকল সেক্টরে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে : স্পিকার
January 19, 2018 - বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হচ্ছে আগে, শেষও হচ্ছে দেরিতে
January 19, 2018 - ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস বুধবার (১০ জানুয়ারি)। পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন।

এর আগে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডন যান। তারপর দিল্লি হয়ে ঢাকা ফেরেন। দিবসটি পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

জাতির জনক পাকিস্তান থেকে ছাড়া পান ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে। ইংরেজি ক্যালেন্ডারের হিসেবে দিনটি ছিল ৮ জানুয়ারি। বঙ্গবন্ধুকে বিমানে তুলে দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি পৌঁছান লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে। বেলা ১০টার পর থেকে তিনি কথা বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ, তাজউদ্দিন আহমদ এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ অনেকের সঙ্গে। পরে ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর একটি বিমানে করে ৯ জানুয়ারি দেশের পথে যাত্রা করেন।

১০ তারিখ সকালে তিনি দিল্লিতে অবতরণ করেন। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, মন্ত্রিসভার সদস্য, তিন বাহিনী প্রধানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং দেশটির জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা লাভ করেন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জনক শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু ভারতের নেতৃবৃন্দ এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে তাদের অকৃপণ সাহায্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা হিসেবে।’

বঙ্গবন্ধু ঢাকা এসে পৌঁছান ১০ জানুয়ারি। ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের পর বাঙালি জাতি তাকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকাল পাঁচটায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন। সশ্রদ্ধচিত্তে তিনি সবার ত্যাগের কথা স্মরণ করেন, সবাইকে দেশ গড়ার কাজে উদ্বুদ্ধ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বুধবার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন এবং বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

Please follow and like us:

About author

Related Articles

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enjoy this blog? Please spread the word :)