সর্বশেষ সংবাদ
April 21, 2018 - বার্ষিক মানবিধিকার রিপোর্ট প্রকাশ, লঙ্ঘনের ঘটনা চরম খালেদা জিয়ার রায়ে নিরপেক্ষতা চায় যুক্তরাষ্ট্র: রাজনৈতিক কারণে কাউকে কারাদণ্ড নয়
April 21, 2018 - রোহিঙ্গা সংকট : বাংলাদেশের প্রতি কমনওয়েলথের সংহতি
April 21, 2018 - নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা করলে কঠোর ব্যবস্থা
April 21, 2018 - পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন নিলেন কিম জং আন
April 21, 2018 - সিরিয়া সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই: জাতিসংঘ
April 21, 2018 - থ্রি়ডি প্রিন্টারেই কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
April 20, 2018 - আমেরিকার দেয়া সম্মাননা পরবেন না প্রেসিডেন্ট আসাদ
April 20, 2018 - ইউটিউব ভিডিও’র মাধ্যমে ৪০ বছর পর স্বজনের কাছে ফেরালো
April 20, 2018 - বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে এশিয়ার রেকর্ড
April 20, 2018 - ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ফের রানওয়ে থেকে ছিটকে গেল বিমান
শরিয়া আইন শিথিল করেছে গ্রিস

শরিয়া আইন শিথিল করেছে গ্রিস

ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র গ্রিসেই সংখ্যালঘু মুসলিমদের জন্য শরিয়া আদালত আছে৷ তবে এখন থেকে সেই আদালত পারিবারিক বিষয়ে আর অগ্রাধিকার পাবে না, যা আগে পেতো৷ পশ্চিম থ্রেস অঞ্চলের জন্য এমন আইন পাশ করেছে গ্রিক সংসদ৷

এ অঞ্চলে প্রায় এক লাখ বিশ হাজার মুসলিমের বাস৷ মঙ্গলবার এ আইন পাশ হয় সংসদে৷

আইন অনুযায়ী, সব পক্ষ রাজি থাকলে শরিয়া আদালতগুলো বিবাহ বিচ্ছেদ, শিশুর জিম্মা এবং উত্তরাধিকার বিষয়ে রায় দিতে পারবে৷ কিন্তু কোনো বিষয়ে কোনো পক্ষ যদি বেঁকে বসেন, তাহলে সাধারণ গ্রিক আইন প্রযোজ্য হবে৷

শতবর্ষ পুরোনো এই আইন সংস্কার হওয়ায় গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপ্রাস একে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন৷ বলেছেন, এতে ‘‘সব গ্রিকদের জন্য আইনের সমান অধিকার নিশ্চিত হলো” এবং একইসঙ্গে গ্রিস সংখ্যালঘু মুসলিমদের ‘‘বিশেষ আইনি ব্যবস্থার প্রতিও শ্রদ্ধাশীল” থাকলো৷

ইউরোপে একমাত্র গ্রিসেই মুসলিমদের শরিয়া আদালত আছে৷ রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত মুফতিরা শরিয়া আইন অনুযায়ী পারিবারিক বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি করেন৷

গ্রিসের লেসবস দ্বীপে কেমন আছেন শরণার্থীরা?
তহবিল শেষ
গ্রিসের লেসবস দ্বীপে যেসব শরণার্থী আছেন তাঁদের চিকিৎসা, আইনগত সেবাসহ অন্যান্য সেবা দিতো বিভিন্ন এনজিও৷ এতদিন তারা ইউরোপীয় বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থার কাছ থেকে তহবিল পেতো৷ কিন্তু আগস্ট মাসে সেটি বন্ধ হয়ে গেছে৷ তাই অনেক এনজিও ইতিমধ্যে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে বা দেয়ার পরিকল্পনা করছে৷ ফলে শরণার্থীদের জীবন আরও কঠোর হয়ে উঠছে৷

অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর ১৯২৩ সালে তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যকার লৌজান চুক্তি অনুযায়ী শরিয়া আইন চালু হয়৷

চুক্তি অনুযায়ী, এছাড়াও প্রায় ২০ লাখ অধিবাসী বিনিময় করে তুরস্ক ও গ্রিস, যাতে বাদ পড়েন এবং এই পশ্চিম থ্রেস অঞ্চলের তুর্কি ভাষাভাষী মুসলিমরা৷

তুরস্ক সনাতনী গ্রিকদের এবং গ্রিস তুর্কি মুসলিমদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মচর্চার অধিকার দেয়, যা ঐ চুক্তিতে ছিল৷

মজার ব্যাপার হলো, গ্রিসের মুসলিমরা এখনো শরিয়া আইন মোতাবেক চলে, যেখানে তুরস্কে পরবর্তীতে অসাম্প্রদায়িক আইনি ব্যবস্থা চালু হয়৷ তুরস্ক সীমন্তবর্তী এই অঞ্চলে তুর্কি জাতির পাশাপাশি এখানে বুলগেরীয় ভাষাভাষি পোমাক সম্প্রদায়ও আছে৷

তবে এই আইনের পরিবর্তন করা নিয়ে কিছুটা শঙ্কায় ছিল গ্রিস৷ তাদের অনেকেরই ধারণা যে, এ ধরনের পরিবর্তন করা হলে তুরস্ক লৌজান চুক্তিতেও পরিবর্তন চাইতে পারে৷

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এর্দোয়ান তো গেল মাসে গ্রিস সফরে অভিযোগই করে বসেছিলেন যে, এথেন্স মুসলিমদের প্রতি চুক্তি মোতাবেক আচরণ করছে না৷

আর এমন একটি সময়ে গ্রিস আইনটি পাস করলো যখন মানবাধিকার বিষয়ক ইউরোপীয় আদালত, ইসিএইচআর-এ এক মুসলিম নারীর নালিশের রায় ঝুলছে৷

পশ্চিম থ্রেসের ৬৭ বছর বয়সি সেই বিধবা নারীর অভিযোগ গ্রিসের বিরুদ্ধে৷ মৃত স্বামীর বোনদের সঙ্গে সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে গ্রিসের সাধারণ আদালত প্রথমে ঐ নারীর পক্ষে রায় দিলেও পরে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন যে, মুসলিম সম্পত্তি কোন্দলের নিষ্পত্তি করার এখতিয়ার কেবল মুফতিদেরই আছে৷ এরপর ঐ নারী ইউরোপীয় আদালতে নালিশ করেন৷

Please follow and like us:

About author

Related Articles

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enjoy this blog? Please spread the word :)